• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, মসজিদ-মন্দির-গির্জায় প্রচারণার নির্দেশ দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ: আইজিপি পিরোজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, আয়াসসহ ৪ জন রিমান্ডে হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে ফেসবুকে পরিচয় থেকে বিয়ে, পাকিস্তানি যুবক এখন কুষ্টিয়ায় নেপালে ফের আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি-সেতু পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে খুন, আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিলেন স্বামী সকালে নিখোঁজ, রাতে প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিবসটি ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও কর্মসূচি পালন করা হয়। বিশেষ করে কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ তাদের সব ধরনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে বিভিন্ন সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এর পর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়।

এর মূল লক্ষ্য হলো কন্যাশিশুদের সামনে থাকা বিভিন্ন বাধা ও চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা। সেই সঙ্গে তাদের ক্ষমতায়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সবাইকে উৎসাহিত করা।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি কন্যাশিশু তাদের শক্তি, সম্ভাবনা ও সৃজনশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে পরিচিত। তবে আজও দারিদ্র্য, শিক্ষার সুযোগের অভাব, অপুষ্টি ও বাল্যবিবাহের মতো অভিশাপ তাদের পিছু ছাড়ছে না। এছাড়া লিঙ্গবৈষম্য এবং বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা এখনো অনেক কন্যাশিশুর স্বাভাবিক বিকাশের পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা ধরনের মানবিক সংকটের সময় কন্যাশিশুরা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে।

দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি তাদের সঠিক পুষ্টি, উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা এবং নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ করার বিষয়ে কাজ করা হয়। এছাড়া পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ ও মতামত জানানোর সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...