
বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়ার পর পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে ছুটিতে থাকা এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহর নির্দেশক্রমে তার বিরুদ্ধে এ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, এএসআই দেলোয়ার হোসেন ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ১৫ দিনের আরআরএল ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সুশান্ত সরকার আরও জানান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় পুলিশের কোনো সদস্য মাদকসংক্রান্ত বা এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ।
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এসময় ছুটিতে থাকা এয়ারপোর্ট থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেন (৩৮), বাগেরহাটের ফকিরহাটের নোয়াপাড়া এলাকার নাহিদ হাসান (২৬), বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর পাঁচগাঁও এলাকার মিরাজুল ইসলাম (৩৪) ও নগরীর পলাশপুর এলাকার ফাতেমা আক্তার নুরজাতকে (৩০) আটক করা হয়। তবে এ অভিযানে কোনো মাদক পায়নি অভিযানিক দলের সদস্যরা। পরে ছুটিতে থাকা পুলিশ সদস্যকে সংশ্লিষ্ট থানায় ও বাকি তিনজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।