• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই মোহনগঞ্জে বারবার ধর্ম বদল করা যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা ছেলেধরা সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা বরগুনায় নারীকে লাঠি দিয়ে মারধরের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আদালতের রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করব : মির্জা ফখরুল বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিসে যুক্ত হচ্ছে ফ্রি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বরিশালে ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিরোধে গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত ‘কিস্তির চাপে’ বিষপানে ছেলের মৃত্যু, সেই শোকে মারা গেলেন বাবাও বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির দায়ে রাবি অধ্যাপক প্রভাস কুমার চাকুরিচ্যুত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

যৌন হয়রানি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাস কুমারকে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৫৪৮ তম সভায় এই সিধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তদন্ত প্রক্রিয়া ও শাস্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, তার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছিল। কমিটি দুটি তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে তার একজন প্রতিনিধি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দেননি। তার বক্তব্যগুলো বিভিন্ন সময়ে লিখিত আকারে পাঠিয়েছেন। উচ্চতর কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট তার শাস্তির অনুমোদন দিয়েছে।

এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট অধ্যাপক প্রভাস কুমার নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে তার চেম্বারে ডেকে শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ক্লাস উপস্থিতির নম্বর ও  পরীক্ষার প্রস্ততির বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষার্থী অভিযুক্ত শিক্ষকের চেম্বারে যান। পরবর্তীতে সে শিক্ষকের কক্ষে গেলে শিক্ষক তাকে সাজেশনের কথা বলে পরীক্ষার প্রশ্ন দেন এবং ছবি তুলতে নিষেধ করে খাতায় উত্তর লিখতে বলেন। এই সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর শরীরের একাধিক স্থানে অশোভন স্পর্শ করেন এবং কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। পরে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। এ ঘটনায় বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা গঠিত একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠিত হয়। সেই তদন্ত রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকতর তদন্ত করে। পরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তাকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...