• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম ময়লা-আবর্জনায় ভরা খাল পরিস্কারের কাজে ইউএনও, উজিরপুরে খাল পরিস্কারে অনন্য দৃষ্টান্ত এই নারী আমার স্ত্রী নন, জামায়াত নেতার সাবেক বউ: গোলাম মাওলা রনি মিরপুরে ২০ টি ককটেলসহ সাবেক নিষিদ্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে যাওয়া ফুটবল তুলতে নেমে স্রোতে ভেসে গেল এক কিশোর নতুন কুঁড়ি সিজন-১ প্রতিযোগিতায় দেশ সেরা কাবাডি খেলোয়াড় মীর সাফি বজ্রপাতে নিহত ছয় কবর ঘিরে রহস্যময় আতঙ্ক, রাত জেগে পাহারায় স্বজনরা ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামা গ্রেফতার সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা, যুবদল নেতা রিমান্ডে রাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন

ক্লাস চলাকালে খুলে পড়লো চলন্ত সিলিং ফ্যান, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন...

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলন্ত সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর শহরের কাঁটাবাড়ী গ্রামের ফুলবাড়ী বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালে হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের সিলিং ফ্যানটি খুলে মেঝেতে পড়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী হাতে ও মাথায় সামান্য আঘাত পেয়েছে। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়নি।

অভিভাবক সোহেল রানা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের পুরোনো ফ্যানগুলো নিয়ে আগেই কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা অফিসকে একাধিকবার জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় কে নিত?

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফা আক্তার লাকি বলেন, ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে ছুটি হয়ে গিয়েছিল। কিছু শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষের বাইরে এবং কয়েকজন দরজার কাছে থাকায় কেউ আহত হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিভাবকদের অভিযোগের পর সম্প্রতি বিদ্যালয়ের নষ্ট ফ্যানগুলো মেরামত এবং অধিকাংশ ফ্যান পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে যে ফ্যানটি খুলে পড়েছে, সেটি পরীক্ষা করা হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহসিন আলী বলেন, ফ্যান খুলে পড়ার ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ফ্যান ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পরীক্ষা করার নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও কেন তা অনুসরণ করা হয়নি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...