
বাগেরহাটের শরণখোলায় এক নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া ও শারীরিক নির্যাতন করার মামলার আসামি মাসুদ খানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬।
এসআরবি ৬ এর অধিনায়ক লে কর্নেল নিস্তার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়। মাসুদ শরণখোলা উপজেলার রতিয়া রাজাপুরের বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে জানা যায়, ভিকটিম শান্তা আক্তার জুঁই (৩০) বাগেরহাটের শরণখোলা থানাধীন রতিয়া রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। ১৫ বছর আগে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে জুঁই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আনোয়ার হোসেন কুয়েত প্রবাসী। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১১ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
মাসুদ খানের সঙ্গে ভিকটিম জুঁই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ অক্টোবর মাসুদ খান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও প্রতারণার মাধ্যমে ভিকটিমকে নিয়ে এসে শরণখোলা থানার কদমতলা গ্রামে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে মাসুদ খান ভিকটিমকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। এছাড়া শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে ভিকটিম জুঁই গত ১৭ অক্টোবর আত্মহত্যা করেন।
ভিকটিমের মা শামসুন্নাহার রুনু শরণখোলা থানায় মাসুদ খানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর থেকে মাসুদ খান আত্মগোপনে ছিলেন।