সাত কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মানের দাবিতে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সন্ধ্যা নদীর শাখা নদীতে নির্মিত ধামুরা সেতুর উপরে দাঁড়িয়ে শত শত এলাকাবাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন।
মানববন্ধন চলাকালীন উপস্থিত এলাকাবাসী দ্রুত সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মান করে জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল তালুকদার বলেন, সাত কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতুটি সংযোগ সড়কের কারনে প্রায় দেড় বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। অথচ মানুষ কষ্ট করে মই দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসীর এ সীমাহিন দুর্ভোগের বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই।
উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মল্লিক বলেন, আমরা সাধারন মানুষ সেতুটির কারনে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও প্রসাশন তা দ্রুত সমাধান করছেন না। যেকারণে সেতুটি নির্মিত হওয়ার দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও শুধুমাত্র সংযোগ সড়কের কারনে সেতুটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক সোহাগ খান বলেন, মানুষের উপকারের জন্য নির্মিত সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের কারনে সেতুটি কোন কাজে আসছেনা। জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও তা দ্রুত সামাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোন উদ্যোগ নেই।
মানববন্ধনে উপস্থিত ওই এলাকার অসংখ্য বাসিন্দারা বলেন, তারা সেতুটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। সেতুটি উন্মুক্ত হলে ওই সড়ক পথে শোলক, বাটাজোরসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা যাতায়াত করতে পারবেন। অপরদিকে জমির মালিকানা দাবীকারী আব্দুর রব বলেন, উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের খামখেয়ালী পনার কারনে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মান কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিফ না করায় তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারনে সংযোগ সড়কটি নির্মান কাজ বিলম্বিত হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।