বরিশালের কড়াপুরে বড় ছেলের হামলার শিকার হলেন মা-বাবা ও ছোট দুই ভাই। হামলার শিকার হয়ে ধারালো অস্ত্রের কোপে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তার বাবা বাবুল বেপারী। ঘটনাটি ঘটেছে ১ নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড উত্তর কড়াপুর বেপারী বাড়িতে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা আনুমানিক সাড়ে নয়টায় এ ঘটনা ঘটে। বড় ছেলে ফিরোজ তার শশুর বাড়ির লোকজন নিয়ে মা ও বাবা ও ছোট দুই ভাইয়ে উপর লাঠি সোটা ও ধারালো রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে, ফিরোজ তার লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে নিজেই নিজের বাবাকে বলে ঐ সালারে ধর বলে দৌড় দিয়ে বাবাকে তারা করে, এ সময় তার বাবা বাবুল বেপারী প্রাণে বাঁচার জন্য দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেলে ফিরোজ বেপারী তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে তার বাবার পায়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, এ সময় ফিরোজের শ্যালক দৌড়ে এসে বাবুল বেপারীর মাথায় ধারালো রামদা দিয়ে সজোরে আঘাত করে, যার ফলে বাবুল বেপারীর মাথা কেটে গিয়ে গভীর ক্ষত হয়। বাবুল বেপারীর মাথায় কোপ দেওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে নিথর হয়ে তার নিজ বাড়ির উঠোনে উলঙ্গ অবস্থায় দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে। বাবুলের নিথর দেহ দেখেও তারা শান্ত হয়নাই,বরং আরো উত্তেজিত হয়ে ফিরোজের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও ফিরোজ রামদা ও লাঠি সোটা নিয়ে ঘরে ঢুকে ফিরোজের মা ও মেঝো ভাই রুবেল এবং ছোট ভাইকে বেধড়ক মারপিট করেন।
এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে,তাদের ডাক চিৎকার শুনে এলাকাবাসীরা দৌড়ে এসে হামলাকারীদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে আটক করে, এলাকা বাসির উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা তিন-চারজন পালিয়ে যায়। আটক হওয়া তিনজন কে বিমানবন্দর থানার পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেন।এবং আহতদেরকে রক্তাক্ত যখম অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি হাস্পাতালে চিকিৎসা দিন রয়েছে, প্রবল গতিতে মাথায় আঘাত করায় তার মাথার ভিতরে রক্ত জমাট বেঁধেছে, এবং তার শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ হয়েছে।
তবে তার ছেলে রুবেল জানান দুপুরে হালকা জ্ঞান ফিরেছিল অল্প একটু কথা বলেছেন, তিনি বলছেন যে মোরে তোরা কোম্মে আনছো। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে তাদের ঘরের ভিটির মাটিকাটা কাটি নিয়ে বাবুল বেপারীর বড় ছেলে ফিরোজ বেপারী ও তার স্ত্রীর সাথে বাবুল বেপারীর বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই ফিরোজ বেপারী তার মা বাবার উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর জন্য শশুর বাড়ির লোকজন খবর দেন। তাই তারা এসে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা করেন বলে যানান বাবুল ব্যাপারীর সজনরা। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।