আসন্ন ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদ্যাপন উপলক্ষে বরিশালে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধায় বরিশাল কালীবাড়ি রোড, ধর্মরক্ষিনী সভাগৃহে এ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ধর্মরক্ষিনী সভাগৃহের সাধারন সম্পাদক মৃণাল কান্তি সাহা'র সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত দত্ত লিটু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুবাস সরকার মন্টু, বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মানিক মুৃখার্জী কুডু, বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী, বরিশাল মহানগর পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল সাহা, বরিশাল মহানগর পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র দে নারু, বরিশাল মহানগর পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি তমাল মালাকার, বরিশাল জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক হিরন কুমার দাস মিঠু, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক জয়ন্ত দাস, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্টের সদস্য সচবি কানু সাহা, বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি অসিম কুমার দাস মুরালী, বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সাধারন সম্পাদক বিজয় ভক্ত, মহানগর পুজা উদ্যাপন পরিষদের সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিষু, বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক কিশোর কুমার দে, অমৃত পরিবারের অন্যতম সদস্য রাহুল দে, শ্রীশ্রী শংকরমঠ ট্রাষ্ঠি বোর্ডরে সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কর্মকার, বরিশাল জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি অসিত রায়, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি রনজিৎ সেন, বরিশাল জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান যুব ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি চন্দন কুমার দাস, বরিশাল মহানগর পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন কর, বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সাধারন সম্পাদক সঞ্জীব সিংহ বর্মন, শ্রী শ্রী পাষানময়ী কালীমাতার মন্দির কমিটির সভাপতি তাপস কর্মকার'সহ বরিশালের বিভিন্ন মঠ, মন্দিরের নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভায় ধর্মরক্ষিনী সভাগৃহের কোষাধ্যক্ষ স্বপন বর্নিক উপস্থিত সকলের মাঝে বিগত (১লা আগস্ট ২০২৫ হইতে ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) বাৎসরিক আয়-ব্যায় হিসাব বিবরণী তুলে ধরেন।
সভায় আগামী ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উৎসব যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানকে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বক্তারা সনাতন ধর্মালম্বিদের স্বার্থ রক্ষায় সকলকে একত্রিত থাকার আহবান যানান এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করেন।
বক্তারা বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে জন্মাষ্টমীর আয়োজন সফল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সভায় আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।