ক্যারিয়ারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলেন নেইমার। ৪ বার খেলার সুযোগ পেয়েও স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা।
প্রতিবারই চোখের জলে স্বপ্নকে বিসর্জন দিতে হয়েছে তাকে।
২০৩০ বিশ্বকাপে নেইমার খেলবেন কি না তার নিশ্চয়তা নেই। শেষ পর্যন্ত যদি শতবর্ষী বিশ্বকাপে দেখা না যায়, তাহলে সোনালি ট্রফিটা আক্ষেপ হয়েই থাকবে ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের কাছে।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও নেইমারকে সেই ‘স্বাদ’ দিচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস।
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন বিশ্বকাপ জিতেই সোনালি ট্রফিটা নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন উইলিয়ামস।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পর নিজের এক অজানিত অনুপ্রেরণার কথা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরলেন স্পেনের উদীয়মান তারকা নিকো উইলিয়ামস। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের এই বিশ্বজয়ের অবিস্মরণীয় মুহূর্তকে তিনি ব্রাজিলের ফুটবল জাদুকর নেইমারের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। নিকো জানিয়েছেন যে, তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারে নেইমারের প্রভাব এবং অনুপ্রেরণা অনস্বীকার্য।
ফাইনালে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, তবে এই গোলের মূল কারিগর ছিলেন নিকো উইলিয়ামস। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে নিকোর মাপা এক হেড হতেই বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তোরেস। ম্যাচ পরবর্তী এক সাক্ষাৎকারে নিকো অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমি ভীষণ আনন্দিত। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। নেইমার আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আশা করি তিনি আমাদের এই ম্যাচ দেখেছেন। এই শিরোপার একটি অংশ আমি তাঁর উদ্দেশেই উৎসর্গ করছি।” মাঠের লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও একজন বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের প্রতি অন্য এক তারকার এই শ্রদ্ধা ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।