ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। একই সঙ্গে ওই নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাশেদ খাঁন নিজেই।
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সোমবার দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
রাত ৮টা ১৩ মিনিটে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, “নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং সিন্ডিকেট কর্তৃক শোকজ নোটিশের উপযুক্ত জবাব দিতে না পারায় একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ার প্রেক্ষিতে ডাকসু পদ বাতিল করা হয়েছে”।
ওই পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট তাকে (রাশেদ খাঁন) জিএস ঘোষণা করেছে।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন নুরুল হক নুর। তিনি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। ভিপি পদে নুরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।
অন্যদিকে, জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষিত হয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী। ওই পদে ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মো. রাশেদ খাঁন। বর্তমানে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় এবং রাব্বানীর ছাত্রত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় রাশেদ খাঁন নিজেকে বিজয়ী জিএস হিসেবে দাবি করলেন।