প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৮, ২০২৬, ১২:৩৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১:২৬ এ.এম
গাছের গোড়ায় মুখ বাঁধা তিন বস্তা, খুলে মিলল ছয় টুকরা মরদেহ
ফরিদপুরের মধুখালীতে ধানখেতের পাশ থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক অজ্ঞাতনামা পুরুষের ছয় টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুখ বাঁধা বস্তাগুলো পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পরে পুলিশ এসে বস্তাগুলো খুলে মরদেহের বিচ্ছিন্ন অংশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বোয়ালিয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ গজ সামনে মহাসড়কসংলগ্ন লাভলু মল্লিক ও ইসহাক মিয়ার ধানখেতের পাশে একটি তালগাছের গোড়ায় তিনটি মুখ বাঁধা প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথচারীরা। বস্তাগুলো দেখে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বস্তা তিনটির মুখ খুললে সেগুলোর ভেতর থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা পুরুষের মরদেহের ছয়টি বিচ্ছিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। কিভাবে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে এবং কারা মরদেহটি বস্তাবন্দি করে সেখানে ফেলে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় শনাক্ত না হলে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Copyright © 2026 Boishakhi Bangla -বৈশাখী বাংলা. All rights reserved.