অস্বচ্ছল নারীদের কাছে কম দামে রান্নার গ্যাস বিক্রির পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য প্রথমে সীমিত পরিসরে ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়া হবে গ্রামঞ্চলের নির্ধারিত নারীদের। বিপিসি চেয়ারম্যান বলছেন, জ্বালানি বিভাগে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের কর্মসূচির উপকারভোগী বাছাই ও তদারকি নিরপেক্ষভাবে করতে হবে।
বেশি দামের বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডার কেনা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সম্ভব হয় না। তাই কয়েকমাস আগে গ্রামের অস্বচ্ছল পরিবারের জন্য কম দামে রান্নার গ্যাস সরবরাহে এলপিজি কার্ড চালুর ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেই ধারাবাহিকতায় বিপিসির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নিয়ে কমিটি গঠন হয়। সম্প্রতি কমিটি জ্বালানি বিভাগকে জানায়, বিপিসির কোম্পানিগুলোর ডিলার নেটওয়ার্ক দিয়ে নির্বাচিত কয়েকটি উপজেলায় মাসে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ সম্ভব। ভবিষ্যতে স্টোরেজ ও বোতলজাত করার সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সরকারের কর্মসূচিতে বাড়ানো যাবে এলপিজি সরবরাহ।
বিপিসির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্বল্প মূল্যে অসচ্ছল পরিবারে যাতে সরবরাহ করতে পারি সেই জন্য সরকারের একটা পরিকল্পনা রয়েছে, সেইটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। সিলিন্ডার প্রতি প্রত্যেক মাসে কীভাবে দেওয়া যায় সেইটা নিয়ে আমদের একটা কমিটপি বিপিসিতে কাজ করেছে। সেইটার একটি প্রতিবেদন আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে মিলে কোথায় কীভাবে দেওয়া হবে সেই পরিকল্পনা সেভাবেই গ্রহণ করা হবে।’
সরকারিভাবে বাজারজাত করা সাড়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের বিইআরসি নির্ধারিত দাম ৭৭৭ টাকা। কিন্তু এই এলপি গ্যাস সাধারণ মানুষ পান না। তাই স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে কমদামে বিতরণে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পক্ষে বিশেষজ্ঞরা।